সিলেট প্রেসক্লাবে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই’র সংবর্ধনা


Sylheter samachar24 প্রকাশের সময় : মে ১৯, ২০২৬, ২:০৯ অপরাহ্ন /
সিলেট প্রেসক্লাবে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই’র সংবর্ধনা

সিলেট প্রেসক্লাবে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই’র সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করলে এর প্রতিদান পাওয়া যায়।

◾নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন করে সেতুবন্ধন তৈরি করতে চাই… মুকতাবিস উন নুর

স্কটল্যান্ডে বাংলাদেশের অনারারি কনসাল জেনারেল,ইউরোপ-বাংলাদেশ ফেডারেশন অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ইবিএফসিআই)
সভাপতি ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই’র সম্মানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই বলেছেন, সম্মান সব আল্লাহর হাতে। মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করলে এর প্রতিদান পাওয়া যায়। তিনি আমাদেরকে সম্মানিত করেন। জীবনে শেখার কোনো শেষ নেই। এপর্যন্ত ১৩৪ টি দেশ ভ্রমণের মধ্য দিয়ে এখনও শিখছি। আমাদের বিভিন্ন সেক্টরের ব্যাপক সম্ভাবনা থাকার পরেও শুধু যথাযথ উদ্যোগ আর চিন্তার অভাবে সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আমি ৭০০ চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ করিয়েছি। যাতে দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করে ভালো মানের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা যায়।
সিলেট প্রেসক্লাবের আমিনুর রশীদ চৌধুরী মিলনায়তনে (১৪ জানুয়ারী-২০২৬) বুধবার
দুপুরে ইংল্যান্ডের এমজেএম গ্রুপ এই সংবর্ধনার আয়োজন করে। লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মহিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন নুর।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই নিজের জীবনের নানান দিক তুলে ধরে বলেন, আমার পরিবারে ১২০ জন গ্র্যাজুয়েট রয়েছেন। তাঁকে ব্রিটিশ সরকার বেস্ট মুসলিম হিসেবে ১৯৮৮ সালে এ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন।
ইংল্যান্ডের বর্তমান রাজার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন ,প্রিন্স চার্লসের সাথে আমি সিলেট সফরে এসেছিলাম। বাঙালি সাংবাদিক হিসেবে মহিব চৌধুরীও প্রিন্স চার্লসের সফর সঙ্গী ছিলেন। ওই সময় সিলেট এয়ারপোর্ট সড়ককে আমি প্রিন্স চার্লস এ্যাভিনিউ করতে প্রস্তাব করেছিলাম কিন্তু সেটি করা হয়নি। অথচ এটি করা হলে নিঃসন্দেহে আমরা অনেক উপকৃত হতাম। তিনি বলেন,অতীতের মতো আগামী দিনেও তিনি সিলেট তথা বাংলাদেশের জন্যে কাজ করবেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট প্রেসক্লাব সভাপতি মুকতাবিস উন নুর বলেন,প্রবাসীরা আমাদের প্রাণ। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের সাথে আমাদের আত্মিক সম্পর্ক। কিন্তু প্রবাসীরা দেশে ছুটে আসলেও তাদের সন্তানরা বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম সিলেট বিমুখ হয়ে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে দেশে নিয়ে আসতে হবে। যাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক রয়েছে তাদের সন্তানদের সিলেট প্রেসক্লাবে নিয়ে আসার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রবাসীদের জন্য বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন করে সেতুবন্ধন তৈরি করতে চাই। এজন্য সিলেট প্রেসক্লাব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক সিলেটের ডাক’র সিনিয়র রিপোর্টার কাউসার চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সিলেটের ডাক’র অতিথি সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাসন , সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক গল্পকার সেলিম আউয়াল, দৈনিক মানবজমিনের কুটনৈতিক রিপোর্টার মিজানুর রহমান ও লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পলি রহমান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সিলেটের ডাক’র অতিথি সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাসন বলেন, ওয়ালী তসর উদ্দিন ৬১ বছর ধরে কাজ করছেন। তিনি একজন আলোকবর্তিকা হিসেবে সমাজের জন্যে কাজ করে যাচ্ছেন। সিলেট প্রেসক্লাব হতে পারে একটি মিলনকেন্দ্র। এখানে প্রবাসীরা আসবেন। প্রবাসী বিনিয়োগ নিয়ে সিলেট প্রেসক্লাব একটি গ্রন্থ করতে পারে।
প্রবাসীরা যাতে করে নিজের জন্মভূমিতে এসে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন এজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে লন্ডন প্রবাসীরা যাতে হয়রানির শিকার না হন এজন্য সিলেট প্রেসক্লাবে একটা প্রবাসী ডেস্ক স্থাপন করা প্রয়োজন। এই ডেস্ক স্থাপন করা গেলে প্রবাসীদের হয়রানি কমে আসবে। প্রবাসীরা সবসময়ই দেশের কল্যান চান, ভালো কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সহসভাপতি আব্দুল কাদের তাফাদার, দৈনিক প্রভাতবেলা সম্পাদক কবির আহমদ সোহেল, ইলেকট্রনিক জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ইমজা’র সাধারণ সম্পাদক সাকিব আহমদ মিঠু ,ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ুন কবির লিটন ও দৈনিক জালালাবাদের স্টাফ রিপোর্টার এম জে এইচ জামিল বক্তব্য দেন। শুরুতে
কুরআন তেলায়ত করেন গোলাম হাফিজ সুফিয়ান।
অনুষ্ঠানে প্রবাসী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে আশরাফ গাজী, শেখ ফারুক আহমদ, নাজাম উদ্দিন, শাহ কায়েস চৌধুরী, রুহী আহাদ ও ইয়াহইয়া আহাদ, খালেদ নজরুল ও আব্দুল আলেক,সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী ,সিলেট প্রেসক্লাবের সহসভাপতি ফয়ছল আলম, সহসাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমদ, কোষাধ্যক্ষ ফয়সাল আমীন,সাবেক Sylhetersamachar24কোষাধ্যক্ষ আনিস রহমান, ইলেকট্রনিক জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ইমজা’র সাবেক সভাপতি মঈন উদ্দিন মনজু , ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আতাউর রহমান আতা, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক স্পোর্টস সেক্রেটারি নুর আহমদ ও বর্তমান পাঠাগার সম্পাদক মুহিবুর রহমান ও সাবেক পাঠাগার সম্পাদক সাঈদ নোমান , বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনাস হাবিব কলিন্স , সাংবাদিক এম এ মতিন,দুলাল হোসেন, আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া ,মুন্সী ইকবাল,শফিক আহমদ শফি, ইয়াহইয়া মারুফ , আব্দুল্লাহ আল নোমান , লবীব আহমদ, এমজেএম গ্রুপের সদস্য আমিনুর রহমান ও মুশতাক আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।।